বিচ্ছিন্নতা থেকে সমষ্টি

বিচ্ছিন্নতা থেকে সমষ্টি

আধুনিক রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সাথে রাষ্ট্রযন্ত্রের সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়। রাষ্ট্রযন্ত্র আর ব্যক্তির মাঝে কোন মধ্যস্থতাকারী থাকে না। প্রথম দেখায় বিষয়টা ভালো মনে হলেও, বাস্তবে এই ধরণের সম্পর্ক তীব্র ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। চিন্তা করে দেখুন, রাষ্ট্র যদি যালিম হয়, অধিকার হরণকারী হয়, রাষ্ট্রযন্ত্র যদি কোন গোষ্ঠীর হাতিয়ারে পরিণত হয়—তখন ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে?

একদিকে অতিকায় রাষ্ট্রযন্ত্র, আরেকদিকে ক্ষুদ্র, দুর্বল, বিচ্ছিন্ন একেকজন মানুষ। রাষ্ট্র ইচ্ছেমতো নাগরিকদের অধীনস্ত ও ধ্বংস করতে পারবে। এবং আধুনিক রাষ্ট্র ঠিক তাই করে।

কিন্তু ব্যাপারটা সবসময় এমন ছিল না। গোত্রীয় সমাজের কথা চিন্তা করুন। এমন সমাজে ব্যক্তির সাথে শাসকের সম্পর্কের মাঝখানে থাকে তার গোত্র। যখন সে মযলুম, গোত্র তাকে সহায়তা করে। তার পক্ষ হয়ে আলোচনা কিংবা দরকষাকষি করে। প্রয়োজনে আক্রমনের মুখে তাকে রক্ষা করে।

একাকী মানুষ দুর্বল, কিন্তু গোত্রের অংশ হিসেবে; একটা সামষ্টিক সত্ত্বার অংশ হিসেবে তার দুর্বলতা কমে। এই সামষ্টিক পরিচয় শুধু যে গোত্রের মাধ্যমেই তৈরি হতে হবে, তা কিন্তু না। ভাষা, সংস্কৃতি, আদর্শ, দ্বীন, স্বার্থ, শ্রেণী পরিচয়সহ বিভিন্ন কিছুর ভিত্তিতে এই সামষ্টিক পরিচয় ও সংহতি গড়ে উঠতে পারে এবং উঠেছে।

কিন্তু আধুনিকতা চেষ্টা করে সব ধরনের সামষ্টিকতাকে মুছে দিতে। সব সামষ্টিক পরিচয় ও আদর্শকে সরিয়ে দিয়ে আধুনিক রাষ্ট্র সেখানে স্রেফ দুটো ধারণা বসাতে চায়– জাতীয়তাবাদ এবং নাগরিকত্ব। আর দুটি ধারণার ভিত্তিই হল রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য। কাজেই আধুনিকতার লক্ষ্য হল ব্যক্তিকে বাকি সব সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে কেবল রাষ্ট্রযন্ত্রের সাথে যুক্ত করা। কাগজে কলমে ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এই সম্পর্ক পারস্পরিক চুক্তির। কিন্তু বাস্তবে এই সম্পর্ক অধীনস্ততা, নিয়ন্ত্রন আর জবরদস্তির।

মুসলিম অধ্যুষিত ভূখণ্ডগুলোর ক্ষেত্রে এই বাস্তবতা আরো বেশি তীব্র। ঔপনিবেশিক আমলে মুসলিমদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে দুর্বল করা হয়। তারপর সেগুলোকে সেক্যুলার প্রতিষ্ঠান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয় অথবা অধীনস্ত করা হয় রাষ্ট্রযন্ত্রের। (বাংলার ফরায়েজী আন্দোলন এবং উপমহাদেশের কওমী মাদ্রাসা আন্দোলন–দুটোকেই এক অর্থে রাষ্ট্রের এই সর্বগ্রাসী নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিজস্ব কিছু জায়গা খোদাই করে নেয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখা যায়।)

ইসলামের সামাজিক শক্তি ধ্বংস করা এবং ইসলামের ভিত্তিতে মুসলিমদের সংগঠিত হবার স্বাভাবিক প্রবণতাকে মুছে ফেলার এই প্রকল্প শুরু হয়ে ঔপনিবেশিক আমলে। ফিরিঙ্গিদের শুরু করা এই পরে কাজকে চালিয়ে নিয়ে যায় নব্য-উপনিবেশিক “স্বাধীন” রাষ্ট্রগুলো। তারা আজো তাই করে যাচ্ছে। ফলে তৈরি হয়েছে অ্যাটমাইযড (atomized) মানুষ—যারা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু পরস্পর বিচ্ছিন্ন।

এই বিচ্ছিন্নতার অর্থ দুর্বলতা। আমরা পরস্পরবিচ্ছিন্ন, ক্ষুদ্র কিছু মানুষ, রাষ্ট্র নামক অতিকায় দানবের মুখোমুখি। এমন মানুষের সামষ্টিক কোন শক্তি থাকে না, নিজস্ব কন্ঠ থাকে না। তার চেয়ে বড় কথা, তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকে না। নিজ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন কিংবা স্বার্থ রক্ষার জন্যও সহজে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে না তারা। এমন কোন উদ্যোগ নেয়ার সময় তার মধ্যে কাজ করে নানা সংশয়, দ্বিধাদ্বন্দ্ব আর ভয়। বিচ্ছিন্ন মানুষ প্রতিরোধে অক্ষম। পরিবর্তনে অক্ষম।

এই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার প্রথম ধাপ হল সংগঠিত হওয়া। বিচ্ছিন্ন মানুষ নিজে নিজে কার্যকরভাবে যুলুম এবং বৈষ্যমের মোকাবেলা করতে পারে না। এর জন্য কাজ করতে হয় সমষ্টিগতভাবে। আধুনিক যুগে সত্যিকারের দাবি আদায়ের কিংবা বড় ধরণের পরিবর্তনের যতো উদাহরণ আছে তার সবই অর্জিত হয়েছে কোন না কোন ধরণের সামষ্টিক কর্মসূচীর মাধ্যমে।

শ্রমিক ইউনিয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন, কৃষক আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন, গেরিলা যুদ্ধের কথা বলুন, কিংবা বিপরীত প্রান্তের লবি, প্রেশার গ্রুপ, সংখ্যালঘুদের অধিকার আন্দোলন বলুন—সবই কোন না কোন ধরণের সামষ্টিক, সংগঠিত প্রচেষ্টার ফল।

বাংলাদেশের মুসলিমের বর্তমানের দুর্বলতাকে কাটিয়ে উঠতে হলে তাই বাস্তব দুনিয়াতে (অনলাইনে না) একত্রিত হতে হবে। বিচ্ছিন্ন মানুষগুলোকে পরিণত করতে হবে সমষ্টিতে।

  • কোন মেইনস্ট্রিম রাজনৈতিক দল আমাদের সাহায্য করতে আসবে না। সাময়িকভাবে আমাদের কাছে টানলেও দিন শেষে তারা সাংস্কৃতিক জমিদার মন রেখে চলারই চেষ্টা করবে।

  • বাহ্যিক শক্তি আমাদের সাহায্য করবে না। বরং আশেপাশের শক্তিরা আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করবে।

  • সংবিধান, জাতীয়তা, ইতিহাস কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়েও লাভ হবে না। কারণ এই শব্দগুলোর সংজ্ঞা ঠিক করে সেক্যুলার-কালচাড়াল জমিদাররাই। তারাই এগুলোর “সঠিক ব্যাখ্যা” ঠিক করে।

কাজেই পরিবর্তন চাইলে আমাদের নিজেদের সংগঠিত হয়ে কাজ করতে হবে। সেক্যুলার-প্রগতিশীল গোষ্ঠীর সামাজিক আধিপত্য ভাঙ্গা, সাংস্কৃতিক যুদ্ধ, আর্থসামাজিক সমস্যার আলোচনায় ইসলামকে উপস্থাপন করা, সর্বোপরি ইসলাম সামাজিক শক্তি হিসেবে হাজির করা—এই সব কিছু অর্জনের জন্য বাস্তব দুনিয়াতে কাজ করা আবশ্যক।

আজকের এই ইসলামবিদ্বেষ, বৈষম্য, অপমান আর অবমাননা বন্ধ করতে চাইলে—নিজের জন্মভূমিতে দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক হয়ে থাকার বাস্তবতাকে বদলাতে হলে–নিজেদেরকেই উদ্যোগ নিতে হবে। গ্রহণ করতে হবে দীর্ঘমেয়াদী স্ট্র্যাটিজি। আর তা বাস্তবায়ন করতে হবে সবর, ফিরাসাহ আর হিকমাহর সাথে।

এখানে একটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। বাস্তব দুনিয়াতে সংগঠিত হওয়া বলতে এখানে রাজনৈতিক সংগঠন বা এ জাতীয় কিছু তৈরি, কিংবা “গণতান্ত্রিক ইসলামী” দলের সাথে যুক্ত হবার কথা বলা হচ্ছে না। মিছিল, মানববন্ধন বা এধরণের উদ্যোগের কথাও বোঝানো হচ্ছে না।

মিছিল, মানববন্ধনের মতো বিভিন্ন কর্মসূচী অবশ্যই গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু এটা মূল কাজের একটা ছোট অংশ কেবল। এই ধরণের কর্মসূচীগুলো সাধারণত ইস্যুভিত্তিক হয়। অর্থাৎ এই কর্মসূচীগুলো সাময়িক, এবং এগুলো মূল উদ্দেশ্যে পৌছানোর জন্য ব্যবহৃত কিছু মাধ্যম। মাধ্যমকে যেন আমরা উদ্দেশ্য মনে না করি।

কোন নির্দিষ্ট ইস্যুতে কোন উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মিছিল করা যেতে পারে। কিন্তু মিছিল করাই যেন মূল উদ্দেশ্যে পরিণত না হয়। এই পার্থক্য বোঝা জরুরী। সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য অর্জনের দীর্ঘমেয়াদী কর্মকৌশল ও পরিকল্পনা না থাকলে কেবল মিছিল, অবরোধ কিংবা লংমার্চ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আসবে না। তাতে লোক সমাগম যতো বেশিই হোক না কেন।

সমাজের ওপর সেক্যুলার জমিদারদের আধিপত্য ভাঙ্গা এবং ইসলামকে সামাজিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বাস্তব দুনিয়াতে কাজ করতে গেলে প্রথমে মুসলিমদের মধ্যে আত্মপরিচয় ও আত্মবিশ্বাসের অনুভূতি জোরালো করতে হবে। তারপর সামাজিকভাবে সংঘবদ্ধ হতে হবে। যাতে মুসলিমরা; বিশেষ করে তরুণরা এমন কিছু প্ল্যাটফর্ম পায় যেখানে তারা একত্রিত হতে পারবে। যেখানে বিচ্ছিন্নতা থেকে বের হয়ে তারা সমষ্টির মাঝে শক্তি খুঁজে পাবে। এমন কিছু মঞ্চ তাদের জন্য তৈরি করতে হবে যেগুলোর মাধ্যমে সমাজের সামনে তারা নিজের কথা এবং চিন্তাগুলো তুলে ধরতে পারবে।

সেটার শুরু হতে পারে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে “ইসলামী ইতিহাস” কিংবা “ইসলামী সভ্যতা ও চিন্তা” কেন্দ্রিক ক্লাব গড়ে তোলার মাধ্যমে। হতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে “ইসলামবিদ্বেষের ব্যাপারে সচেতনতা” সৃষ্টির জন্য সংস্থা তৈরি করে।কিংবা হতে পারে আর্থসামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ইসলামের অবস্থান বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য সমাধান উপস্থাপনের জন্য গবেষণা সংস্থা তৈরি করে। কাজ করা যেতে পারে সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে – পর্নোগ্রাফি, যিনা, মাদক, ডিপ্রেশন, সুইসাইড, পরিবারের ভাঙ্গন, স্ক্রিন আসক্তি, ক্যারিয়ার অ্যাডভাইস – কাজ করার মতো ইস্যু অনেক। কাজ হতে পারে দাওয়াতী এবং ইসলাহী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও।

ধরণ যাই হোক মূল আলোচনা ইসলাম এবং মুসলিম পরিচয়ের বিষয়টা থাকতে হবে স্পষ্টভাবে । ইসলামকে মূল ভিত্তি এবং দিকনির্দেশনা হিসেবে নেয়ার ব্যাপারটা থাকবে দাওয়াহর কেন্দ্রে। এখানে লুকোচুরি করা যাবে না।

একই সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে আলোচনা বা বক্তব্য যেন নিরেট তাত্ত্বিক না হয়। মানুষ প্রভাবিত হবে যখন সে নিজের জীবনে ও সমাজে আপনার কথার প্রযোজ্যতা খুঁজে পাবে। বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন তাত্ত্বিক আলোচনা কিংবা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জীবনে আমলের তাগিদ এ ক্ষেত্রে অতোটা কার্যকরী হবে না। বরং মানুষকে দেখাতে হবে কিভাবে ইসলাম ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং শাসনের সমস্যারগুলোর সমাধান দেয়।

এই পথ দীর্ঘ ও বন্ধুর। এবং এর শুরুটা কঠিন, রাতারাতি বিশাল কিছু করে ফেলার, শর্টকাট নেয়ার, কিংবা অল্প সময়ে বড় রিটার্নের সুযোগ এখানে তেমন একটা নেই। কাজ শুরু করতে হবে প্রাথমিক পর্যায় থেকে। তবে সব মহীরুহের শুরুটা ছোট্ট বীজ থেকেই হয়।

সংক্ষেপে সারাংশ – বিচ্ছিন্নতা থেকে সমষ্টি

  • আধুনিক রাষ্ট্র মানুষকে সব সামাজিক সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে সরাসরি রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত করে → ফলে ব্যক্তি দুর্বল ও অসহায় থাকে।
  • ঔপনিবেশিক যুগে মুসলিমদের সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়; আজও তার ধারাবাহিকতায় মুসলিমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন।
  • বিচ্ছিন্ন মানুষ প্রতিরোধ ও পরিবর্তনে অক্ষম → সমষ্টিগত সংগঠন অপরিহার্য।
  • বাস্তব জগতে সংগঠিত হওয়া জরুরি, শুধু অনলাইনে নয়।
  • কোন গতানুগতিক রাজনৈতিক দল, বাহ্যিক শক্তি বা সেক্যুলার কাঠামোর উপর ভরসা নয় → মুসলিমদেরকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
  • মিছিল-মানববন্ধনই মূল কাজ নয়; দরকার দীর্ঘমেয়াদী ভিশন ও কৌশল।
  • আত্মপরিচয় ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা → মুসলিমদের সংঘবদ্ধ করার প্রথম ধাপ।
  • তরুণদের জন্য ইসলামী ইতিহাস, সভ্যতা, ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী কার্যক্রম, সামাজিক সমস্যা সমাধানমূলক ক্লাব/সংস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
  • দাওয়াহ ও প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রবিন্দুতে ইসলাম ও মুসলিম পরিচয় স্পষ্টভাবে রাখতে হবে।
  • আলোচনা যেন শুধু তাত্ত্বিক না হয় → বাস্তব সমস্যার ইসলামী সমাধান দেখাতে হবে।
  • পরিবর্তনের পথ দীর্ঘ ও ধীর, তবে শুরুটা ছোট থেকে করতে হবে।

মূল কথা হলো বিচ্ছিন্ন মানুষকে সমষ্টিতে রূপান্তর করতে হবে, ইসলামকে ভিত্তি করে সংগঠিত সামাজিক শক্তি গড়তে হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

ঐক্য নিয়ে একটি ভুল ধারণা
return (সংশয় নিরসন);

ঐক্য নিয়ে একটি ভুল ধারণা

August 26, 2025
বিস্তারিত →
দাওয়াহ কি শুধু “ধর্মীয়” বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে?
return (কেন ও কী সামাজিক শক্তি );

দাওয়াহ কি শুধু “ধর্মীয়” বিষয়গুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে?

August 19, 2025
বিস্তারিত →
দ্বীনের জন্য স্যাক্রিফাইস করা, ক্যারিয়ার নষ্ট করা
return (সংশয় নিরসন);

দ্বীনের জন্য স্যাক্রিফাইস করা, ক্যারিয়ার নষ্ট করা

August 27, 2025
বিস্তারিত →
ইসলামের জন্য দুনিয়াবি সবকিছুকে কি একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে?
return (সংশয় নিরসন);

ইসলামের জন্য দুনিয়াবি সবকিছুকে কি একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে?

August 27, 2025
বিস্তারিত →
পরিস্থিতি নিজ থেকে তৈরি হয় না, তৈরি করতে হয়
return (সংশয় নিরসন);

পরিস্থিতি নিজ থেকে তৈরি হয় না, তৈরি করতে হয়

August 27, 2025
বিস্তারিত →
বিক্ষোভ মিছিল কী ইসলামে জায়েজ?
return (সংশয় নিরসন);

বিক্ষোভ মিছিল কী ইসলামে জায়েজ?

August 26, 2025
বিস্তারিত →
দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে কি অনেক টাকা কামাতে হবে?
return (সংশয় নিরসন);

দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে কি অনেক টাকা কামাতে হবে?

August 26, 2025
বিস্তারিত →
সামাজিক শক্তি কি?
return (সংশয় নিরসন);

সামাজিক শক্তি কি?

August 27, 2025
বিস্তারিত →
কেন ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি  ভারত বিরোধী আন্দোলন এবং অ্যাক্টিভিজম চালু থাকা দরকার?
return (সংশয় নিরসন);

কেন ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ভারত বিরোধী আন্দোলন এবং অ্যাক্টিভিজম চালু থাকা দরকার?

August 26, 2025
বিস্তারিত →
সামাজিক শক্তি অর্জনের ব্যাপারে কিছু বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার
return (সংশয় নিরসন);

সামাজিক শক্তি অর্জনের ব্যাপারে কিছু বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার

August 26, 2025
বিস্তারিত →
ঢালাওভাবে লেখক, আলেম ও সেলিব্রেটি হবার লুপহোল
return (সংশয় নিরসন);

ঢালাওভাবে লেখক, আলেম ও সেলিব্রেটি হবার লুপহোল

August 26, 2025
বিস্তারিত →
কেন ছোটো ছোটো কাজ/ক্যাম্পেইন ধারাবাহিকভাবে জারি রাখতে হবে?
return (সংশয় নিরসন);

কেন ছোটো ছোটো কাজ/ক্যাম্পেইন ধারাবাহিকভাবে জারি রাখতে হবে?

August 26, 2025
বিস্তারিত →
বিন্দু থেকে সিন্ধু
return (সংশয় নিরসন);

বিন্দু থেকে সিন্ধু

August 28, 2025
বিস্তারিত →
সামাজিক শক্তি অর্জন কেন দরকার?
return (কেন ও কী সামাজিক শক্তি );

সামাজিক শক্তি অর্জন কেন দরকার?

August 26, 2025
বিস্তারিত →
দুনিয়াবি পড়াশোনা কি একেবারেই অপ্রয়োজনীয়?
return (সংশয় নিরসন);

দুনিয়াবি পড়াশোনা কি একেবারেই অপ্রয়োজনীয়?

August 30, 2025
বিস্তারিত →
সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজসহ সামগ্রিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে তরুণদের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখার উপায় (প্রথম পর্ব)
return (সংশয় নিরসন);

সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজসহ সামগ্রিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে তরুণদের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখার উপায় (প্রথম পর্ব)

August 26, 2025
বিস্তারিত →
সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজসহ সামগ্রিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে তরুণদের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখার উপায় (দ্বিতীয় পর্ব)
return (সংশয় নিরসন);

সামাজিক শক্তি অর্জনের কাজসহ সামগ্রিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে তরুণদের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখার উপায় (দ্বিতীয় পর্ব)

August 26, 2025
বিস্তারিত →
অ্যাক্টিভিজম কী এবং অ্যাক্টিভিজম কী না
return (অ্যাক্টিভিস্ট হ্যান্ডবুক);

অ্যাক্টিভিজম কী এবং অ্যাক্টিভিজম কী না

August 27, 2025
বিস্তারিত →
কারা হবে আমাদের শক্তি
return (অ্যাক্টিভিস্ট হ্যান্ডবুক);

কারা হবে আমাদের শক্তি

September 16, 2025
বিস্তারিত →