মুসলিম অ্যাক্টিভিস্টের ইশতেহার

মুসলিম অ্যাক্টিভিস্টের ইশতেহার

১. সত্যিকার পরিবর্তন আসে কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে। তিনিই আমাদের ক্ষুদ্র কাজে বারাকাহ, রুহানিয়াত, রহমতো, সাহায্য, সমর্থন দেন । এবং আমাদের কাজ থেকে আখিরাত (যেটা আমাদের প্রধান লক্ষ্য) ও দুনিয়ার (গৌন লক্ষ্য) জন্য সর্বোতকৃষ্ট ফলাফল বের করে আনেন:

"কেউ যদি সম্মান চায় (তবে তা যেন আল্লাহর কাছেই চায়) কেননা সকল সম্মান আল্লাহরই। তাঁরই পানে উত্থিত হয় ভাল কথা আর নেক আমল তা উন্নীত করে। আর যারা মন্দকাজের চক্রান্ত করে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আযাব আর ওদের ষড়যন্ত্র তো নস্যাৎ হবে।" [1]

আর কেউ নয়, একমাত্র আল্লাহই আমাদের বোনা প্রত্যেকটি বীজকে সর্বোতকৃষ্ট ফলে পরিণত করেন। শুধু আল্লাহই পারেন আমাদের কাজগুলোকে, আমাদের বোনা বীজগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে, বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে ও এর মাধ্যমে আরো অনেক লোককে উপকৃত করতে:

"তোমরা আমাকে বল, তোমরা যমীনে যা বপন কর সে ব্যাপারে, তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি? আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে - (এই বলে,) ‘নিশ্চয় আমরা দায়গ্রস্ত হয়ে গেলাম’। ‘বরং আমরা হৃত-সর্বস্ব হয়ে পড়েছি।" [2]

একইভাবে আল্লাহই আগাছাগুলো উপড়ে ফেলেন, অনেক জনপ্রিয়, তুমুল আলোচিত কিন্তু ইখলাসবিহীন কাজকে মুছে ফেলেন, শুকিয়ে ফেলেন, একসময় তা সবাই ভুলে যায়:

"তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, এতে উপত্যকাগুলো তাদের পরিমাণ অনুসারে প্লাবিত হয়, ফলে প্লাবন উপরস্থিত ফেনা বহন করে নিয়ে যায়। আর অলংকার ও তৈজসপত্র তৈরির উদ্দেশ্যে তারা আগুনে যা কিছু উত্তপ্ত করে তাতেও অনুরূপ ফেনা হয়। এমনিভাবে আল্লাহ হক ও বাতিলের দৃষ্টান্ত দেন। অতঃপর ফেনাগুলো নিঃশেষ হয়ে যায়, আর যা মানুষের উপকার করে, তা যমীনে থেকে যায়। এমনিভাবেই আল্লাহ দৃষ্টান্তসমূহ পেশ করে থাকেন।" [3]

২. যেকোনো কাজ কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হলো তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়। যেকোনো মাখলুকের আগে, প্রথমে ও সবার আগে আল্লাহর কাছেই আমাদের সকল কাজের কবুলিয়্যাত খুঁজতে হবে:

"আর তুমি তাদের নিকট আদমের দুই পুত্রের সংবাদ যথাযথভাবে বর্ণনা কর, যখন তারা উভয়ে কুরবানি পেশ করলো। অতঃপর তাদের একজন থেকে গ্রহণ করা হল, আর অপরজন থেকে গ্রহণ করা হল না। সে বললো, ‘অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করবো’। অন্যজন বললো, ‘আল্লাহ কেবল মুত্তাকীদের থেকে গ্রহণ করেন’।" [4]

৩. মুসলিম হিসেবে আমাদের অবশ্যই মানতে হবে - নৈতিকতা, ঠিক-ভুলের মানদন্ড ঠিক করে দেবার অধিকার কেবল ও কেবলমাত্র আল্লাহর। কোনো প্রজন্ম বা কোনো কম্যিউনিটির আশা-আকাঙ্ক্ষা, নফস আমাদের ভালো মন্দের মাপকাঠি বা নৈতিকতা ঠিক করে দেবার অধিকার রাখে না। এক এক প্রজন্ম বা এক এক সমাজের জন্য ভালোমন্দ নৈতিকতার মাপকাঠি এক এক রকম হবে না। আমরা দৃঢ়তার সাথে ঈমান আনি আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলার সবকিছুর ব্যাপারে, তাঁর অসীম জ্ঞান ও সীমাহীন প্রজ্ঞার উপর। তিনিই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয়াদিতে আমাদের জন্য কী উত্তম তা তিনিই সবচেয়ে ভালো জানেন:

"যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি জানেন না? অথচ তিনি অতি সূক্ষ্মদর্শী, পূর্ণ অবহিত।" [5]

ঠিক এ কারণেই শুধু ভালো উদ্দেশ্য বা নিয়ত থাকাই যথেষ্ট না, কর্মপন্থাও ইসলামী মূল্যবোধ এবং মূলনীতি অনুসারে সঠিক হতে হবে। আর সেই পথ হলো রাসূলুল্লাহর ﷺ দেখানো পথ:

"বল, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।" [6]

৪. তথাকথিত “দুনিয়াবি কাজ” গুলো ইসলামের আধ্যাত্মিক কাজগুলোর চাইতে আলাদা নয়। অর্থাৎ ইসলাম শুধু মসজিদ মাদ্রাসার মধ্যেই বা ব্যক্তিগত জীবনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের মতো মুসলিমদের যে আচারকেন্দ্রিক ইবাদাহ আছে, সেগুলো মুসলিমদের প্রাত্যাহিক কর্মকান্ডকে পরিচালনা করবে, দিক নির্দেশনা দেবে। আল্লাহ শুয়াইব আলাইহিস সালামের কওমের সমালোচনা করেছেন। কারণ তাদের কাছে মনে হচ্ছিল ব্যবসার কাজে ধর্ম নাক গলাচ্ছে। এবং তারা ধর্মের এমন নাক গলানো মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল:

"তারা বললো, ‘হে শু‘আইব, তোমার সালাত কি তোমাকে এই নির্দেশ প্রদান করে যে, আমাদের পিতৃপুরুষগণ যাদের ইবাদাত করতো, আমরা তাদের ত্যাগ করি? অথবা আমাদের সম্পদে আমরা ইচ্ছামতো যা করি তাও (ত্যাগ করি?) তুমি তো বেশ সহনশীল সুবোধ’!" [7]

ঠিক এ কারণেই সামাজিক ও রাজনৈতিক - কমিউনিটি সার্ভিস বা অ্যাক্টিভিসমের সব ক্ষেত্রেই ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, এগুলো সবই এক আল্লাহর সামগ্রিক ইবাদাহর অংশ। আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের প্রতিটি কাজ[8] আল্লাহর আনুগত্য, আল্লাহর ইবাদতের অংশ। সুবিধামতো ইসলামের কিছু অংশ নেব আর কিছু অংশ বর্জন করবো –এমন নয়। বরং আমরা ইসলামের সবটুকুই গ্রহণ করি। ইসলামের সকল হুকুম সকল শিক্ষাকে কেন্দ্র করেই আমাদের অ্যাক্টিভিসম পরিচালিত হয়:

"হে মু’মিনগণ! ইসলামের মধ্যে পূর্ণভাবে প্রবেশ কর এবং শায়ত্বনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলো না, নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।" [9]

৫. আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও ইসলামের অবস্থানকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমরা কোনোভাবেই ইসলামের কোনো বিধানের ব্যাপারে আপোষ করবো না। কোনো জ্ঞান ছাড়া আল্লাহর পক্ষ থেকে কথা বলার ব্যাপারে - অর্থাৎ আল্লাহ বলেছেন এমন - বলার ব্যাপারে আল্লাহ কুরআনে সতর্ক করে দিয়েছেন। এবং এ কাজকে কবিরাহ গুনাহ বা বড় পাপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন:

"বল,‘আমার রব তো হারাম করেছেন অশ্লীল কাজ - যা প্রকাশ পায় এবং যা গোপন থাকে, আর পাপ ও অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহর সাথে তোমাদের শরীক করা, যে ব্যাপারে আল্লাহ কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং আল্লাহর উপরে এমন কিছু বলা যা তোমরা জান না’।" [10]

একইভাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা রাসূলুল্লাহ ﷺ ও তাঁর কওমকে মানুষের কাছে কোরআনের বার্তা পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এবং নিষেধ করেছেন এর কোনো অংশ নিয়ে লজ্জিত হতে:

"তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর।" [11]

৬. বেইনসাফি, বর্ণবাদ, অসমতার ব্যাপারে ইসলামের সমাধান কি? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সুন্দরভাবে দিয়েছেন আল্লাহর রাসূলের ﷺ সাহাবী রিবঈ ইবনে আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। পারস্যের সেনাবাহিনীর কমান্ডার রুস্তমকে তিনি বলেছিলেন:

"আল্লাহ আমাদের পাঠিয়েছেন। যারা মানুষের গোলামী থেকে বের হয়ে এক আল্লাহর গোলামী করতে চায়, যারা দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে বের হয়ে আখিরাতের প্রশস্ততার দিকে যেতে চায়, অন্যান্য ধর্মের বেইনসাফি থেকে বের হয়ে যারা আসতে চায় ইসলামের ইনসাফের দিকে—আল্লাহ আমাদের পাঠিয়েছেন তাদেরকে মুক্ত করতে।" [12]

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা শুধুমাত্র তাকওয়ার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করেন। জাতি, গোত্র, সামাজিক বা অর্থনৈতিক অবস্থান, গায়ের রং, চেহারা……কোনো কিছুর ভিত্তিতে নয় :

"হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে এক নারী ও এক পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছি আর তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।" [13]

৭. ইসলাম যে সামাজিক ন্যায়বিচারের ডাক দেয় তা তাওহীদের (আল্লাহর একত্ববাদ) সাথে খুব গভীরভাবে যুক্ত। রাসূলুল্লাহর ﷺ আগের সব নবী ও রাসূলদের (আলাইহিমুস সালাম) মিশন ছিলো এটাই:

"নিশ্চয় আমি আমার রাসূলদেরকে স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ পাঠিয়েছি এবং তাদের সাথে কিতাব ও (ন্যায়ের) মানদন্ড নাযিল করেছি, যাতে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। আমি আরো নাযিল করেছি লোহা, তাতে প্রচন্ড শক্তি ও মানুষের জন্য বহু কল্যাণ রয়েছে। আর যাতে আল্লাহ জেনে নিতে পারেন, কে না দেখেও তাঁকে ও তাঁর রাসূলদেরকে সাহায্য করে। অবশ্যই আল্লাহ মহাশক্তিধর, মহাপরাক্রমশালী।" [14]

একইভাবে আমরাও তাঁদের এ পদচিহ্ন অনুসরণ করবো ইনশা আল্লাহ। ধর্ম বা বিশ্বাস যেমনই হোক না কেন সবার মাঝেই আমাদের ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে:

"নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে। আর যখন মানুষের মধ্যে ফয়সালা করবে তখন ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করবে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে কতইনা সুন্দর উপদেশ দিচ্ছেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।" [15]

"তোমাদেরকে যারা মসজিদে হারাম থেকে বাধা প্রদান করেছিল, তাদের প্রতি শত্রুতা তোমাদেরকে যেন অবশ্যই সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে।" [16]

৮. কোরআনে যে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা হয়েছে তার কিছু আধুনিক রূপ হলো অ্যাক্টিভিসম ও কম্যিউনিটি সার্ভিস। -

"আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল থাকে, যারা কল্যাণের প্রতি আহবান করবে, ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।" [17]

আল কুরআন নবী ও রাসূলদের নানা গল্প আমাদের শুনিয়েছে। জানিয়েছে এই সব মহামানবদের কাজ ছিলো দাওয়াহ করা ও একইসাথে ক্ষমতাসীনদের সামনে সত্য বলা। মুসা আলাইহিস সালাম ফিরাউনকে আল্লাহর ইবাদাহর দিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। আল্লাহ মুসা আলাহিসসালাম ও তাঁর ভাই হারুন আলাইহিস সালামকে ফিরআউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাবার নির্দেশ দিয়ে বলছেন -

"তোমরা তার সাথে নরমভাবে কথা বলবে। হয়তোবা সে উপদেশ গ্রহণ করবে অথবা ভয় করবে।" [18]

একইসাথে মুসা ও হারুন আলাইহিস সালাম বনী ইসরাইলের উপরে হওয়া জুলুম বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন:

‘যাতে তুমি বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে পাঠাও’। [19]

৯. সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে ঐক্য বজায় রাখতে হবে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সাহায্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। এটি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে:

"সৎকর্ম ও তাকওয়ায় তোমরা পরস্পরের সহযোগিতা কর। মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না।" [20]

"আর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর এবং পরস্পর ঝগড়া বিবাদ করো না, তাহলে তোমরা সাহসহারা হয়ে যাবে এবং তোমাদের শক্তি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর তোমরা ধৈর্য ধর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।" [21]

১০. উত্তম চরিত্র ও আচরণের অধিকারী হওয়া ও তা ধরে রাখার জন্য মুসলিম এক্টিভিস্ট ও নেতাদেরকে রাসূলুল্লাহর ﷺ উদাহরণ অনুসরণ করতে হবে:

"আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।" [22]

উহুদ যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতিতেও এমন মানসিকতা ও আচরণ ধরে রাখার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা রাসূলুল্লাহর ﷺ প্রশংসা করেছেন:

"অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের কারণে তুমি তাদের জন্য নম্র হয়েছিলে। আর যদি তুমি কঠোর স্বভাবের, কঠিন হৃদয়সম্পন্ন হতে, তবে তারা তোমার আশপাশ থেকে সরে পড়ত।" [23]


আলোচ্য প্রবন্ধটি ৪০ হাদীস : সামাজিক শক্তি অর্জন বই থেকে নেওয়া

[1] সূরা ফাতির ৩৫:১০

[2] সূরা আল-ওয়াক্বিয়াহ ৫৬:৬৩-৬৭

[3] সূরা আল-রাদ ১৩:১৭

[4] সূরা আল-মায়িদা ৫:২৭

[5] সূরা আল-মুলক ৬৭:১৪

[6] সূরা আল-ইমরান ৩:৩১

[7] সূরা হুদ ১১:৮৭

[8] ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সকল কাজ

[9] সূরা বাকারাহ ২:২০৮

[10] সূরা আল-আরাফ ৭:৩৩

[11] সূরা আল-আরাফ ৭:২

[12] Ibn Kathir, Al-Bidayah Wa Al-Nihaya, vol 9, p.619 (Beirut : Dar al-Kutub al-Ilmiya, 1988).

[13] সূরা হুজুরাত, ৪৯:১৩

[14] সূরা আল-হাদীদ ৫৭:২৫

[15] সুরা আল-নিসা ৪:৫৮

[16] সূরা আল-মায়িদা ৫:২

[17] সূরা আল-ইমরান ৩:১০৪

[18] সূরা তাহা ২০:৪৪

[19] সূরা আল-শুয়ারা ২৬:১৭

[20] সূরা মায়িদা ৫:২

[21] সূরা আল-আনফাল ৮:৪৬

[22] সূরা আল-কালাম ৬৮:৪

[23] সূরা আল-ইমরান ৩:১৫৯

সম্পর্কিত পোস্ট

সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে ক্যাম্পেইন করার নিয়ম-কানুন
return (সাধারণ নীতিমালা);

সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে ক্যাম্পেইন করার নিয়ম-কানুন

August 27, 2025
বিস্তারিত →
ক্যাম্পেইন ও সোশ্যাল মিডিয়া মেইন্টেইন করার বিষয়ে সাধারন কিছু নীতিমালা
return (সমস্যা এড়ানোর উপায় );

ক্যাম্পেইন ও সোশ্যাল মিডিয়া মেইন্টেইন করার বিষয়ে সাধারন কিছু নীতিমালা

August 27, 2025
বিস্তারিত →
অফলাইন অ্যাক্টিভিজম
return (সাধারণ নীতিমালা);

অফলাইন অ্যাক্টিভিজম

August 25, 2025
বিস্তারিত →
অ্যাক্টিভিসমের ১০ টি মূলনীতি
return (সাধারণ নীতিমালা);

অ্যাক্টিভিসমের ১০ টি মূলনীতি

September 1, 2025
বিস্তারিত →
বোনেরা কিভাবে শরীয়াহর মধ্যে থেকে অফলাইন দাওয়াহ ও অ্যাক্টিভিজম করবেন?
return (নারীদের অ্যাক্টিভিসম);

বোনেরা কিভাবে শরীয়াহর মধ্যে থেকে অফলাইন দাওয়াহ ও অ্যাক্টিভিজম করবেন?

August 27, 2025
বিস্তারিত →
কারা হবে আমাদের শক্তি
return (অ্যাক্টিভিস্ট হ্যান্ডবুক);

কারা হবে আমাদের শক্তি

September 16, 2025
বিস্তারিত →
ষোলো পাঠচক্র: কেন ও কীভাবে?
return (অ্যাক্টিভিস্ট হ্যান্ডবুক);

ষোলো পাঠচক্র: কেন ও কীভাবে?

September 20, 2025
বিস্তারিত →
কিভাবে কার্যকরভাবে পোস্টারিং করতে হয়?
return (অ্যাক্টিভিস্ট হ্যান্ডবুক);

কিভাবে কার্যকরভাবে পোস্টারিং করতে হয়?

December 27, 2025
বিস্তারিত →

ক্যাটাগরি সমূহ